ভ্রমণ মনকে পরিশুদ্ধ করে। চাকরি এবং দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততার ফাঁকে মানুষ একটু সময় পেলেই ঘুরতে বেরিয়ে পড়েন। তবে, ঘুরতে গিয়ে নিজের সুরক্ষা নিশ্চিত করাও আবশ্যক। স্থানের পরিবর্তন, আবহাওয়ার পরিবর্তন এবং গাড়িতে দীর্ঘ ভ্রমণের কারণে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পরতে পারেন। তাই, এক্ষেত্রে সুস্থ থাকতে জেনে নিন কিছু দরকারি টিপস :
১। ভ্রমণে বমি হওয়া খুব সাধারণ একটি ব্যাপার। বাচ্চা কিংবা বড় সবার ক্ষেত্রেই এটা হতে পারে। বমি রুখতে তাই ভ্রমণ শুরুর এক ঘণ্টা আগে খাবার খেয়ে নিন। একদম পেট পুরে খাবার না খাওয়াই ভালো। এছাড়াও বমির ওষুধ খেয়ে নিতে পারেন।
২। বমি এবং ক্লান্তি এড়াতে ভ্রমণের সময় ঘুমাতে চেষ্টা করুন। ঘুম আপনার মোশন সিকনেস কাটাতে সহায়তা করে। যাত্রা পথ দীর্ঘ হলে দু-এক ঘণ্টা পরপর ব্রেক নিন। গাড়ি থেকে নেমে খোলা জায়গায় একটু হাঁটা চলা করুন।
৩। খাবার দাবারে সতর্ক থাকুন। এলার্জির সমস্যা থাকলে বেছে খাবার খান। সমুদ্র ভ্রমণে গেলে সামুদ্রিক মাছ খাওয়ার সময় সতর্ক থাকবেন। কেননা অনেক সামুদ্রিক মাছে এলার্জি রয়েছে। ভ্রমণে শরীর সুস্থ রাখতে বেশি পরিমাণ শাক সবজী জাতীয় খাবার খান।
৪। এলার্জি এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকলে সাথে সব সময় ওষুধ বহন করুন। এছাড়াও পেট খারাপ, জ্বর বা গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ ও সাথে রাখতে পারেন।
৫। পাহাড় এবং সমুদ্রে বেড়াতে গেলে চলাফেরায় সতর্ক থাকুন। সৈকতে অনেক ঝিনুক পড়ে থাকে, খালি পায়ে হাঁটলে পা কাটা যেতে পারে। পা কেটে গেলে শীঘ্রই ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করুন। প্রবাল বা ঝিনুকে কাটা ক্ষত থেকে অনেক বড় ধরণের ইনফেকশন হওয়ারও ঝুঁকি থাকে।
৬। এডভেঞ্চার এক্টিভিটিজ যেমন প্যারাগ্লাইডিং, স্কিয়িং বাঁ রিভার রাফটিং বর্তমানে খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তবে, যাদের কাছ থেকে এইসব এক্টিভিটিজ নিচ্ছেন তাদের সম্পর্কে পূর্ব থেকেই খোঁজ খবর নিয়ে রাখুন। এইসব এক্টিভিটিজ কতটা নিরাপদ এবং যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে কিনা সেটা জেনে নিন। এক্ষেত্রে একটু অসতর্কতা জীবন নাশের হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
সাখাওয়াত হোসেন

Comments
Post a Comment